777JAYA বাংলা তথ্যক্যাসিনোস্পোর্টস18+ দায়িত্বশীল খেলা

777JAYA: স্কোলস: মাইনুকে না খেলানোর সব উপায়ই খুঁজেছেন টুখেল; ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আত্মকেন্দ্রিক

777JAYA স্পোর্টস ডেস্ক: পল স্কোলসের মতে, বিশ্বকাপে 1 মিনিটও সুযোগ না পাওয়া কোবি মাইনুসহ ইংল্যান্ডের কয়েকজন খেলোয়াড় টমাস টুখেলের ওপর ক্ষুব্ধ হবেন।

2026-07-25 · 777JAYA · admin

777JAYA: স্কোলস: মাইনুকে না খেলানোর সব উপায়ই খুঁজেছেন টুখেল; ইংল্যান্ডের অনেক খেলোয়াড় আত্মকেন্দ্রিক

ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড কিংবদন্তি পল স্কোলস এক পডকাস্টে বলেছেন, ইংল্যান্ডের এবারের বিশ্বকাপ অভিযান শেষ হওয়ার পর কোবি মাইনু ও আরও কয়েকজন খেলোয়াড় টমাস টুখেলের ওপর অসন্তুষ্ট থাকবেন।

images/01.png

রক্ষণাত্মক কৌশল ও বদলি ব্যবহারের কারণে সমর্থক ও বিশ্লেষকদের তীব্র সমালোচনার মুখে পড়েছেন টুখেল; এমনকি এই জার্মান কোচের পদত্যাগও দাবি করেছেন কেউ কেউ। আর্জেন্টিনার বিপক্ষে আর্সেনাল ফরোয়ার্ড বুকায়ো সাকাকে পুরো ম্যাচ বেঞ্চে বসিয়ে রাখা হয়। এরপর ব্রোঞ্জপদকের ম্যাচে ইংল্যান্ড ফ্রান্সকে হারানোর সময় হ্যাটট্রিক করেন তিনি, ফলে সাকাকে টুখেলের ব্যবহারের ধরন নিয়ে বড় বিতর্ক তৈরি হয়। পাশাপাশি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেডের মিডফিল্ডার মাইনুকে কোনো সুযোগ না দেওয়ার সিদ্ধান্তও ব্যাপক প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। পুরো প্রতিযোগিতায় ইংল্যান্ডের হয়ে 1 মিনিটও মাঠে নামতে পারেননি মাইনু।

মাইনুর মাঠে নামার সুযোগ না পাওয়া নিয়ে স্কোলস বলেন, “একজন খেলোয়াড় চাইলে চোটের কথা মিথ্যা বলতে পারে। কিন্তু আমার মনে হয় না কোবি মাইনু তা করবে; সে মাঠে নেমে খেলতে মরিয়া।”

“আমার ধারণা, দলের কয়েকজন খেলোয়াড় প্রধান কোচের ওপর ভীষণ ক্ষুব্ধ হবে। এমন ঘটনা প্রায়ই ঘটে। বিশ্বকাপের দলে মাত্র 22 জন থাকলেও কেউ না কেউ খেলার সুযোগ পায় না, তবে বিষয়টি সামলানোর একটি সঠিক পদ্ধতি রয়েছে। দল মোটামুটি ভালো খেললে সবাই হয়তো তা বুঝতে পারত। কিন্তু তখন দলের এমন একজনকে ভীষণ দরকার ছিল, যে বল ধরে রেখে ম্যাচের ছন্দ নিয়ন্ত্রণ করতে পারে; অথচ মাইনুকে সামান্যতম সুযোগও দেওয়া হয়নি।”

স্কোলসের মতে, ইংল্যান্ড পুরো প্রতিযোগিতায় দুর্দান্ত খেললে মাইনুকে বাইরে রাখার সিদ্ধান্তটি কিছুটা যুক্তিসংগত মনে হতে পারত। “দল যদি নির্বিঘ্নে ভালো খেলত, কোবি হয়তো বিষয়টি মেনে নিয়ে ভাবতে পারত, ‘ঠিক আছে, আমি বুঝতে পারছি।’ কিন্তু দল এত বাজে খেলেছে... সত্যি বলতে, পুরো প্রতিযোগিতাতেই ইংল্যান্ডের পারফরম্যান্স সন্তোষজনক ছিল না। দেখে মনে হয়েছে, কোচ মাইনুকে মাঠে না নামানোর সম্ভাব্য সব উপায় খুঁজেছেন। অন্য যে কেউ খেলতে পারে, শুধু সে নয়।”

শেষ পর্যন্ত ফ্রান্সকে হারিয়ে ইংল্যান্ড ব্রোঞ্জপদক জিতলেও স্কোলসের সাবেক সতীর্থ নিকি বাট নিশ্চিত, শুধু মাইনুই হতাশ নন। “আমি বলছি, টুখেল এরই মধ্যে ড্রেসিংরুমের অনেক খেলোয়াড়ের সমর্থন হারিয়েছেন। আমি ড্রেসিংরুমে থাকা খেলোয়াড়দের অবস্থান থেকে ভাবছি। দলের একজন সামর্থ্যবান খেলোয়াড় হিসেবে আমার সঙ্গে এমন আচরণ হলে মনে হতো: আমি নিজের দেশকে ভালোবাসি, দেশের হয়ে খেলতে ভীষণ আগ্রহী এবং ইংল্যান্ডের জার্সি পরা জীবনের সর্বোচ্চ সম্মান। কিন্তু এই কোচের অধীনে খেলতে চাই না। আমি নিশ্চিত করে বলছি, অনেক খেলোয়াড়ই এমন ভাববে।”

স্কোলস মনে করেন, ইংল্যান্ড দলে ব্যক্তিগত লাভ-ক্ষতিকে অতিরিক্ত গুরুত্ব দেওয়ার সমস্যা রয়েছে। “স্পেনের সঙ্গে তুলনা করা যাক। আমার সব সময় মনে হয়েছে, ব্যক্তিগত প্রতিভায় আমাদের খেলোয়াড়েরা বেশি শক্তিশালী। কথাটি কিছুটা অদ্ভুত শোনাতে পারে, তবে শুধু ব্যক্তিগত সামর্থ্য বিবেচনা করলে আমাদের দলের মান স্পেনের চেয়ে ভালো। অথচ আমাদের সবচেয়ে বড় সমস্যা শুধু এই বিশ্বকাপেই নয়—আমাদের খেলার সময়েও দলটির মধ্যে সম্মিলিত ঐক্যের অভাব ছিল। প্রত্যেকে নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে অতিরিক্ত চিন্তিত। আমাদের অনেক প্রতিভাবান খেলোয়াড় আছে, কিন্তু তাঁদের অনেকেই বেশ আত্মকেন্দ্রিক।”

টুখেলকে ব্যক্তিগতভাবে পছন্দ করেন স্কোলস, তবে তাঁর মতে সেমিফাইনাল থেকে বিদায়ের পর কোচের মন্তব্য পরিস্থিতি আরও খারাপ করেছে। “অনুষ্ঠানে আমি বহুবার বলেছি, এই প্রধান কোচকে আমার বেশ পছন্দ। কিন্তু ম্যাচের পর তাঁর মন্তব্য মাঠের পারফরম্যান্সের চেয়েও বেশি নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে। তিনি বলেছিলেন, ‘আক্রমণাত্মক ফুটবল ইংরেজদের জিনে নেই’—এ ধরনের কথা। টমাস, এখন তুমি ইংল্যান্ড জাতীয় দলেরই অংশ; এই ফুটবল-ঐতিহ্যের সঙ্গে তোমার একাত্ম হওয়া উচিত। তিনি সব সময় আত্মরক্ষামূলক অবস্থান নিয়েছেন এবং বারবার খেলোয়াড়দের ওপর দায় চাপিয়েছেন। স্যার অ্যালেক্স ফার্গুসন কখনো এমন করতেন না। তিনি অবশ্যই ব্যক্তিগতভাবে, অনুশীলন মাঠে কিংবা দলীয় সভায় আমাদের সমালোচনা করতেন, কিন্তু কখনো তা প্রকাশ্যে আনতেন না।”

18+ ব্যবহারকারী, স্থানীয় আইন এবং নিজস্ব বাজেট মেনে অনলাইন গেমিং বিষয় পড়ুন বা ব্যবহার করুন।